আবু সাঈদ, আমাদের ক্ষমা করো
- ১৮ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১, ১১ মহররম ১৪৪৬
প্রিয় শিক্ষার্থী আবু সাঈদ, আমাদের ক্ষমা করো। তোমার মা–বাবার সন্তান হারানো আর্তনাদ দেখে এলাম।—লিখেছেন আমাদের বন্ধু ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তুহিন ওয়াদুদ। আরও অনেকের সঙ্গে তিনিও আবু সাঈদের গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। পিতার কাধে সন্তানের লাশ সবচেয়ে ভারী। শিক্ষকের কাধে ছাত্রের লাশও কম ভারী নয়।
শিক্ষক তুহিন ওয়াদুদ ও তাঁর সহকর্মীরা আবু সাঈদের লাশ নিয়ে যখন বাড়িতে গেলেন, শুনলেন তাঁর স্বজনদের বুকফাটা আর্তনাদ। মা মনোয়ারা বেগম আহাজারি করছিলেন, ‘মোর বাবাটাক পুলিশ গুলি করিয়া মারল ক্যান, চাকরি চাওয়াটা কি অপরাধ?’
কোরবানির ঈদের ছুটিতে শেষবারের মতো বাড়িতে এসেছিলেন সাঈদ। তিন দিন পর ক্যাম্পাসে ফিরে যান। ছেলের কথা বলে বিলাপ করছিলেন মা।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে যারা আন্দোলন করছিলেন, তাঁদের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন আবু সাঈদ। ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।



