লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হচ্ছে না চাল উৎপাদনে, কমছে মজুদ
- ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১, ১৩ শাওয়াল ১৪৪৫
বিশ্ববাজারে দাম কমলেও প্রভাব নেই দেশের ভেতর
চাল উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার চাল আমদানি করতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কাক্সিক্ষত সাড়াও পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় সরকারি চালের মজুদ ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে। ফলে এখন সরকারি গুদামে চাল-গম মিলিয়ে মজুদের পরিমাণ গিয়ে ঠেকেছে ১২ লাখ ২২ হাজার টনে। কিন্তু এর বিপরীতে গেল বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে এর পরিমাণ ছিল ১৬ লাখ ২৫ হাজার টন এবং এর আগের বছর ২০২২ সালে ছিল ১৪ লাখ ২২ হাজার টন।
অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের সরবরাহ বৃদ্ধি ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন সময়ে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু সরকারি পর্যায়ে কাক্সিক্ষত সাড়া পাওয়া যায়নি। অথচ গত চার বছর ধরে অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের দর ঊর্ধ্বমুখী। আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম কমলেও দেশের বাজারে এর কোনো প্রতিফলন দেখা যায় না।
গত রোববার অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠক উপলক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয় প্রণীত সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায় এমন চিত্র পাওয়া গেছে।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক দেশে মোট চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ কোটি ১৫ লাখ ৬৯ হাজার মেট্রিক টন (এর মধ্যে আউশ মৌসুমে ৩৬ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন, আমন মৌসুমে ১ কোটি ৬৩ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন ও বোরো মৌসুমে ২ কোটি ১৫ লাখ ৩৪ হাজার মেট্রিক টন)।



