শিক্ষক রাজনীতি বন্ধে কঠোর হচ্ছে প্রশাসন
- ০৫ মার্চ ২০২৪, ২১ ফাল্গুন ১৪৩০, ২৩ শাবান ১৪৪৫
নানা বিধি আর সতর্কতা জারি করেও শিক্ষকদের রাজনীতি বন্ধ করা যাচ্ছে না। যদিও শিক্ষকরাজনীতি বন্ধে এর আগেও বিভিন্ন মহল থেকে কঠোরতা দেখানো হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের রাজনীতি বন্ধ না হলে ক্লাসরুমের শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন বলেও মত দিয়েছেন বিষেশজ্ঞরা। এবার শিক্ষকদের রাজনীতি বন্ধে আরো কঠোর হয়ে শিক্ষকদের জন্য আচরণবিধি প্রনয়ণের উদ্যোগ নিচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, রাজনীতির সুযোগ না থাকলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে সক্রিয় রয়েছেন। তাদের কেউ কেউ রাজনৈতিক পরিচয়ে নানা অনৈতিক কাজ ও শিক্ষা প্রশাসনে চাপ সৃষ্টি করেন বলেও অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। এ নিয়ে সমালোচনাও নেহায়েত কম হয়নি। এসব বিবেচনায় ও শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই শিক্ষকদের জন্য আচরণবিধিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সূত্র মতে এই বিধিমালা অনুসারে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কেউ রাজনীতিতে জড়িত হলে তিনি এমপিও হারাতে পারেন। হতে পারেন সাময়িক বা স্থায়ী বরখাস্ত। কোনো রাজনৈতিক দল বা তার অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণেও তারা পড়তে পারেন শাস্তির আওতায়। ইতোমধ্যে এমন সব শর্ত জুড়ে দিয়ে বিধিমালার খসড়াও প্রস্তুত করা হয়েছে।



