শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬ ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ | ২৫ রমজান ১৪৪৭

শীতের সকালে আড়াই ঘণ্টার বৃষ্টিতে বিপাকে চুয়াডাঙ্গাবাসী

শীতের সকালে আড়াই ঘণ্টার বৃষ্টিতে বিপাকে চুয়াডাঙ্গাবাসী - ছবি : নিউজমিডিয়া24

জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। হাড় কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন। বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এর মধ্যে ভোর থেকে টানা প্রায় আড়াই ঘণ্টা ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়। যা দিনব্যাপী গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাতে রূপ নেবে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

এদিকে, জেলায় ১১ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) ভোর ৫টা থেকে থেকেই মেঘের গর্জন শোনা যায়। উষ্ণতার চাদর মুড়িয়ে মানুষ যখন ঘুমে মগ্ন, ঠিক ভোর পৌনে ৬টায় শুরু হয় বৃষ্টি। যা পরে ভারী বৃষ্টিতে রূপ নেয়। বৃষ্টি চলে প্রায় আড়াই ঘণ্টা।

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের পর্যবেক্ষক তহমিনা নাছরিন এ্যানি বলেন, আজ সকাল ৬ ও ৯টায় ১১ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ।

তিনি আরো বলেন, ভোর ৫টা ৪৫ মিনিট থেকে বৃষ্টি শুরু হয়ে সকাল ৮টা ১০ মিনিটে থেমেছে। এই দুই ঘণ্টা ২৫ মিনিটে ১৯ দশমিক চার মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এর আগে, আবহাওয়া অফিস পূর্বাভাসে বৃষ্টির কথা জানিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত আরো বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এছাড়া আগামীকাল অর্থাৎ ১৯ জানুয়ারির (শুক্রবার) পূর্বাভাসে হালকা বৃষ্টিপাতের প্রবণতা রয়েছে।

এদিকে, শীতের কারণে রাস্তাঘাটে মানুষের আনাগোনা এমনিতেই কম, এর মধ্যে বৃষ্টির কারণে জবুথবু অবস্থা সবার। এতে ভয়াবহ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সব শ্রেণীর মানুষের। আর শীতের সকালে বৃষ্টি নিম্ন আয়ের মানুষদের দুর্বিষহ অবস্থা আরো বাড়িয়েই দিলো!

বৃষ্টির মধ্যে আব্দুল মজিদ নামের এক দিনমজুর বলেন, ‘আজ আর কাজ পাইনি। কেউ আসেনি। তাই বাড়ি ফিরতে হলো। এমনিতেই শীত, এর মধ্যে আবার বৃষ্টি। কষ্টের আর শেষ নেই।’

এছাড়া সকালে অফিসগামী বেশিরভাগ মানুষই বৃষ্টির কারণে বিড়ম্বনায় পড়ে। যারা বের হয় তাদের ভিজেই গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

আরো সংবাদ


AD HERE