রবিবার, ২৮শে জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ || ১৪ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৩ই মহররম ১৪৪৮ হিজরি

গাজায় ভয়াবহ বোমা হামলা ইসরাইলের

গাজায় ভয়াবহ বোমা হামলা ইসরাইলের - ছবি : নিউজমিডিয়া24

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সোমবার সারা রাত ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। তারা জানিয়েছে, অবরুদ্ধ এলাকায় তারা এ যাবতকালের সবচেয়ে বড় হামলাটি চালিয়েছে। এদিকে ঘোষণা ছাড়াই ইসরাইলি হামলার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে গাজার প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। তারা বলেছে, হুঁশিয়ারি না দিয়ে আক্রমণ করা হলে প্রতিটি হামলার জন্য গাজায় বন্দী ইসরাইলিদের একজন করে হত্যা করা হবে।

ইসরাইল গাজা উপত্যকায় অবরোধ আরোপ করার পর কর্তৃপক্ষ বলছে, পণ্য সরবরাহের অনুমতি না দিলে গাজা উপত্যকা নতুন মানবিক সঙ্কটের দ্বারপ্রান্তে চলে যাবে।

বাসিন্দারা বলছেন যে শনিবার থেকে গাজা উপত্যকায় কোন ত্রাণ পৌঁছেনি, এবং সোমবার ইসরাইল এই অঞ্চলে 'সম্পূর্ণ অবরোধ' ঘোষণা করেছে– তারা বলেছে যে বিদ্যুৎ, খাদ্য, জ্বালানি এবং পানি সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে।

গাজায় প্রায় ২৩ লাখ মানুষ বসবাস করে, যাদের ৮০ শতাংশ সাহায্যের উপর নির্ভর করে।

 

ইসরাইল, গাজার আকাশসীমা এবং এর উপকূল নিয়ন্ত্রণ করে, এবং কারা বা কী ধরণের পণ্য এর সীমানা অতিক্রম করতে পারবে তাও নিয়ন্ত্রণ করে।

মিসরও গাজার সীমান্ত দিয়ে মানুষ বা যেকোনো পণ্যের প্রবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

শনিবার সকালে হামলা শুরুর পর থেকে ইসরাইল গাজায় খাদ্য ও ওষুধসহ সব ধরনের সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

অনেকেই বর্তমানে বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট সেবা ছাড়াই আছেন এবং এরমধ্যে হয়তো প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পানি সরবরাহও বন্ধ হয়ে গেছে।

কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে যে ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গাজা উপত্যকার জ্বালানি শেষ হয়ে যাবে। জাতিসঙ্ঘ মানবিক সংস্থা ওসিএইচএ সতর্ক করে বলেছে যে, অবশিষ্ট জ্বালানি দিয়ে হাতে গোনা কয়েক দিন মাত্র চলা যাবে।

এমনকি সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার আগেও, গাজার বাসিন্দারা আগে থেকেই ব্যাপক খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা, চলাচলে বিধিনিষেধ এবং পানির সঙ্কটে ভুগছিল।

আরো সংবাদ


AD HERE