শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬ ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ | ২৫ রমজান ১৪৪৭

ফ্লাইট এক্সপার্টের তিন কর্মকর্তা কারাগারে

ফ্লাইট এক্সপার্টের তিন কর্মকর্তা কারাগারে - ছবি : নিউজমিডিয়া24

প্রতারণার মাধ্যমে চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় অনলাইনে বিমানের টিকিট বুকিং প্ল্যাটফর্ম ‘ফ্লাইট এক্সপার্ট’-এর তিন কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার (৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমান শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন মো. সাকিব হোসেন, সাইদ আহমেদ এবং এ কে এম সাদাত। এই তিনজনকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক মো. সাদ্দাম হোসেন তাদের কারাগারে রাখার আবেদন করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন তার বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বিস্তারিত
এই মামলাটি সরকার ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস-এর স্বত্বাধিকারী মো. বিপুল সরকার বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় দায়ের করেন। মামলায় মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে: ফ্লাইট এক্সপার্টের সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম, মক্কা গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ রশিদ শাহ সম্রাট, এবং কারাগারে যাওয়া ওই তিন কর্মকর্তা। তাদের বিরুদ্ধে ১৭টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ৪ কোটি ৭৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা দীর্ঘ দিন ধরে অনলাইনে ট্রাভেল এজেন্সি হিসেবে বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং এবং প্যাকেজ ট্যুরের ব্যবসা করে আসছিল। গত ২ আগস্ট থেকে তাদের অনলাইন সার্ভিস হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। গ্রাহক ও এজেন্সি মালিকরা তাদের মতিঝিলের সিটি সেন্টারের অফিসে গিয়ে দেখেন, অফিস খোলা থাকলেও ম্যানেজমেন্টের কেউ উপস্থিত নেই।

পরে জানা যায়, সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম এবং এম এ রশিদ শাহ সম্রাট ৫-৬ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে বিদেশ পালিয়েছেন। আরও জানা গেছে যে, ফ্লাইট এক্সপার্ট নিজস্ব আইএটিএ-এর বাইরে হাজী ইয়ার ট্রাভেলস লি., সোমা ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস, প্রোমা-এর মতো কিছু ট্রাভেল এজেন্সির আইএটিএ ব্যবহার করে টিকিট বিক্রি করত।

আরো সংবাদ


AD HERE