ভারতে মাদরাসা নিয়ে কী হচ্ছে?
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৬ আশ্বিন ১৪৩১, ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৬ হিজরি
এদিকে ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অফ চাইল্ড রাইটস (এনসিপিসিআর) সুপ্রিম কোর্টের কাছে অভিযোগ করেছে, মাদরাসায় ইসলামের আধিপত্যের ব্যাপারে শিক্ষা দেয়া হয়। যুগোপযোগী নানা বিষয় সেখানে শেখানো হয় না। তাই মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থা, ভারতীয় শিক্ষার অধিকার আইনের আওতায় পড়ছে না। এলাহাবাদ হাইকোর্টের ২২ মার্চের একটি নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা পড়েছে। এনসিপিসিআর ওই মামলায় তাদের মতামত গত ১১ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে।
ইতিমধ্যেই এলাহাবাদ হাইকোর্ট, উত্তরপ্রদেশ বোর্ড অফ মাদরাসা শিক্ষা আইন, ২০০৪-কে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের মতে, মাদরাসা শিক্ষার অধিকার আইন ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি লঙ্ঘন করেছে। সংবিধানের ১৪তম অনুচ্ছেদে বলা আছে, ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি একটি মৌলিক অধিকার। সেই কথা মাথায় রেখে বিচারপতি বিবেক চৌধুরী ও বিচারপতি সুভাষ বিদ্যার্থীর বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ সরকারকে নির্দেশে জানিয়েছে, মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে উত্তরপ্রদেশ সরকারের স্বীকৃত প্রাইমারি, হাইস্কুল এবং ইন্টারমিডিয়েট স্কুলে ভর্তি করাতে হবে।
স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট
উত্তরপ্রদেশ সরকার আদালতকে জানিয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে মাদরাসা বোর্ড শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষা এবং ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি দিচ্ছে। তবে, এই ধরনের শিক্ষা সংবিধান সম্মত। রাষ্ট্রই এমন শিক্ষা দেয়ার অধিকার মাদরাসাগুলোকে দিয়েছে।উত্তরপ্রদেশ সরকারের এই বক্তব্যের পর গত ৫ এপ্রিল, ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়। সেই মামলাতেই মাদরাসা শিক্ষা সম্পর্কে নিজস্ব মতামত জানাল এনসিপিসিআর।
* ২০১৮-১৯ সাল পর্যন্ত ভারতে ২৪,০১০টি মাদরাসা ছিল। যার মধ্যে ১৯,১৩২টি স্বীকৃত মাদরাসা। ৪,৮৭৮টি অস্বীকৃত মাদরাসা।



