পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে হবে
- ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ২৯ ভাদ্র ১৪৩১, ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৬ হিজরি
ছাত্র-জনতার তীব্র গণ-আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়েছেন। এখন ভারতেই অবস্থান করছেন। শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও পলায়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের একটানা সাড়ে ১৫ বছরের দুর্দণ্ড প্রভাবশালী শাসনের অবসান হয়েছে। গত ৮ আগস্ট নোবেলবিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। তারা এখন দেশ পুনর্গঠন এবং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য কাজ করছেন। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগের একটানা সাড়ে ১৫ বছরের শাসন ছিল চরম দুঃশাসনে ভরা। এ সময়ে আর্থিক খাতে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণের নামে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করা হয়েছে। শেয়ারবাজার ধ্বংস করে লুট করা হয়েছে লাখো কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভ চুরি হয়েছে। দেশ থেকে পাচার হয়েছে কয়েক লাখ কোটি টাকা, যার তথ্য বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে। দৈনিক বণিক বার্তায় ৭ আগস্ট প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার ১৫ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ করেছে এবং এ সময়ে দেশ থেকে পাচার হয়েছে ১৫০ বিলিয়ন ডলার। বর্তমান সময়ে এক ডলারের বিনিময় মূল্য ১২০ টাকা হলে পাচার হওয়া অর্থের বর্তমান মূল্য ১৮ লাখ কোটি টাকা। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে অর্থ পাচার বন্ধ এবং পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনতে হবে।



