রবিবার, ২৮শে জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ || ১৪ই আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ || ১৩ই মহররম ১৪৪৮ হিজরি

চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে এখনো মরিয়া আওয়ামী লীগ

চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে এখনো মরিয়া আওয়ামী লীগ - ছবি : নিউজমিডিয়া24

এখনো চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মরিয়া আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। ছাত্র-জনতার ভয়ে সরাসরি চাঁদা তুলতে না পারলেও বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের উপস্থিতি জানান দেয়ার চেষ্টা করছে। ঢাকা উত্তরের মিরপুর পল্লবী কালসী, গাবতলী, শ্যামলী কল্যাণপুর এলাকায় ব্যবসায়ীদের সাথে গোপনে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব এলাকায় চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করতেন যুবলীগের সেক্রেটারি ও সাবেক সংসদ সদস্য ময়নুল হোসেন নিখিল। ঢাকা উত্তরের বিভিন্ন এলাকা নিখিলের চাঁদাবাজির সম্রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল।

তবে গত ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর গা ঢাকা দেন নিখিল ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধানরা। ওই গ্রুপের অনুসারীরাও রয়েছেন আত্মগোপনে। এতে করে সম্পূর্ণ চাঁদামুক্ত অবস্থায় ব্যবসা শুরু করেন বিভিন্ন শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা। সম্প্রতি নিখিলের কিছু অনুসারী মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এসব এলাকায় যারা নিয়মিত চাঁদা তুলতেন তাদের মধ্যে কিছু পরিচিত মুখ বিভিন্নভাবে সিগন্যাল দেয়ার চেষ্টা করছে। তবে ওই সিগন্যালকে মোটেই পাত্তা দিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।

গতকাল কয়েক দিন মিরপুরসহ ঢাকা উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ব্যবসায়ীদের কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। মিরপুর-১০ নম্বর থেকে শুরু করে দুই নম্বরের শেষ পর্যন্ত রাস্তার পাশে রয়েছে ছোট বড় কয়েক শত দোকান। এ ছাড়া মিরপুর-১, দারুস সালাম, গাবতলী হয়ে বেড়িবাঁধ রুপনগর এলাকাসহ আশপাশের রয়েছে কয়েক হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ডিশ লাইন, ইন্টারনেট ব্যবসাসহ এলাকাভিত্তিক ছোট-বড় সব প্রতিষ্ঠান থেকেই কয়েক ভাগে চাঁদা উঠানো হতো। এলাকাভিত্তিক চাঁদার জন্য নির্দিষ্ট লোক নিয়োগ থাকলেও পুরো চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রক ছিলেন যুবলীগ সেক্রেটারি ময়নুল হোসেন নিখিল। তিনি ভাগ করে দিতেন কোন এলাকায় কোন সেক্টরের চাঁদা কে তুলবে। সেই হিসেবে একজনকে প্রধান করে দেয়া হতো। ওই প্রধানের নিয়ন্ত্রণে থাকত অন্যরা।

আরো সংবাদ


AD HERE