শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬ ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ | ২৫ রমজান ১৪৪৭

সূরা ফাতেহার যত ফজিলত

সূরা ফাতেহার যত ফজিলত - ছবি : নিউজমিডিয়া24

আল কুরআন আল্লাহর মহিমান্বিত গ্রন্থ; যাতে বিধৃত হয়েছে মানুষের সফলতার পথ-কাহিনী। যার অনুসরণ ব্যক্তিকে পৌঁছাতে পারে কামিয়াবির শীর্ষ চূড়ায়। আর অনুকরণহীনতায় নিক্ষিপ্ত হতে পারে ব্যর্থতার আঁস্তাকুড়ে। সেই মহাগ্রন্থের মহান সূরার নাম সূরাতুল ফাতেহা, যা কুরআনের প্রারম্ভে লিখিত, যা দিয়ে নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের সূচনা হয়। এই সূরার যত ফজিলতের কথা কুরআন ও হাদিসে এসেছে, অন্য কোনো সূরার ব্যাপারে তেমনটি আসেনি।

সূরা ফাতেহা এমন এক মহান সূরা যার মধ্যে পুরো কুরআনের সারমর্ম বিধৃত হয়েছে। সাহাবি সাঈদ ইবনে মুয়াল্লা রা: বলেন, এক দিন নবীজী সা: আমাকে বললেন, মসজিদ থেকে বের হওয়ার আগেই আমি কি তোমাকে এমন একটি সূরা শিখাব, যা কুরআনের সর্বাধিক মহান? অতঃপর নবীজী সা: আমার হাত ধরলেন। এরপর যখন তিনি মসজিদ থেকে বের হওয়ার ইচ্ছা করলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি আমাকে মসজিদ থেকে প্রস্থানের আগে কুরআনের সর্বাধিক মহান সূরা শিখিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। নবীজী বললেন, ‘হ্যাঁ। আর তা হলো- আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। (বুখারি-৪৪৭৪)

আল কুরআনের সর্বোত্তম সূরা : সূরায়ে ফাতেহা কুরআনের সর্বোত্তম সূরা। সাহাবি আনাস রা: বলেন, নবীজী এক স্থানে বসা ছিলেন। হঠাৎ সেখান থেকে নিচে নামলেন। তাঁর দেখাদেখি সাহাবিরাও নামলেন। আমি তাঁর দিকে তাকালে তিনি বললেন, ‘আমি কি তোমাকে কুরআনের সর্বোত্তম সূরা স¤পর্কে জানিয়ে দেবো?’ তার পর তিনি বললেন, ‘সেটি হলো- আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন।’ (আমালুল ইয়াওম ওয়াল লাইলাতি-৭২৩)

তার তুল্য নেই কোনো সূরা : সাহাবি আবু জার রা: বলেন, আমি রাতের আঁধারে মদিনার কোনো এক গলিতে নবীজীর সাথে ছিলাম। সে সময় এক ব্যক্তি সূরা ফাতেহা দিয়ে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ছিলেন। তা শ্রবণে নবীজী সেখানে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং শেষ হওয়া পর্যন্ত গভীর মনোযোগ দিয়ে তা শুনলেন। শেষে তিনি বললেন, ‘পুরো কুরআনে এর সমতুল্য কোনো সূরা নেই।’ (মুজামুল আওসাত-২৮৬৬)

আরো সংবাদ


AD HERE