চুরি-পাচার হাসিনার : দায় শোধের ভার অন্তর্বর্তী সরকারের!
- ২৪ আগস্ট ২০২৪, ৯ ভাদ্র ১৪৩১, ১৮ সফর ১৪৪৬
পতিত সরকারের দুর্নীতি-অনিয়ম ও অর্থপাচারে দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক, রাজস্ব আহরণ, রফতানি বাণিজ্য, ডলার সঙ্কট ও রিজার্ভ পরিস্থিতি ভয়াবহ। ঋণের পর্বত, লুটপাটের ক্ষত, দুর্নীতির বোঝা, পাচারের তেজ, রিজার্ভ বিপর্যয়সহ নানা ঘা রেখে কেবল ছোটবোনকে নিয়ে পালিয়ে জানে বেঁচেছেন শেখ হাসিনা। পরিবারের বাদবাকিদের পাঠিয়ে দিয়েছেন আরো আগে। তার কাছে পরিবারই আওয়ামী লীগ, তারাই বাংলাদেশ। যা বিশ্বের ইতিহাসে রেকর্ড। ছলে বলে অপজিশনকে নিপীড়ন, দলীয় নেতাকর্মীদের উচ্ছিষ্ট খাইয়ে টানা ১৫ বছরে অবিরাম ঠগবাজির চাতুরিতে দেশের যত সর্বনাশ করা যায়, তার একটিও বাদ দেনটি তিনি। উন্নয়নের নামে মেগা প্রকল্পে চলেছে মেগা লুটপাট। নানা ঘটনায় আরো স্পষ্ট ছিল উন্নয়নে নয়, প্রকল্পগুলো নেয়া হয়েছিল লুটপাটের উদ্দেশ্যে।
অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে ঋণের টাকার বড় অংশ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় নানা প্রক্রিয়ায় একটি চক্রকে দিয়ে চালানো হয়েছে পাচারের কাজটি। শেখ হাসিনা সরকারের টপ টু বটম কমবেশি এই কর্মে লিপ্ত ছিল। বিদেশী একটি গণমাধ্যমে এসেছে, লুটপাট-দুর্নীতি অনিয়মের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে প্রকল্পের অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। স্বয়ং শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিক মালয়েশিয়ার ব্যাংকের মাধ্যমে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আত্মসাতের অঙ্কই প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকা।



