পাবনা ও সিরাজগঞ্জে তৈরি হচ্ছে নকল দুধ
- ২৮ মার্চ ২০২৪, ১৪ চৈত্র ১৪৩০, ১৭ রমজান ১৪৪৫
রমজানের বাড়তি চাহিদা পূরণ
দুগ্ধ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত বৃহত্তর পাবনায় পবিত্র রমজান মাসে প্রতিদিন দুধের চাহিদা ৭০ হাজার লিটার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ৩০ হাজার লিটারে। কিন্তু দুধের উৎপাদন বাড়েনি। এ দিকে বাড়তি চাহিদার জোগান দিতে তৈরি হচ্ছে বিপুল পরিমাণ নকল দুধ। ছানার টক পানি, স্কিমমিল্ক পাউডার, চিনি, সয়াবিন তেল, হাইড্রোজ, লবণসহ মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নানা ধরনের রাসায়নিক উপকরণ মিশিয়ে নকল দুধ তৈরি করে হাটবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এই দুধ কিনে ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে বৃহত্তর পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহকুমার শাহজাদপুর থানার বাঘাবাড়ীতে বড়াল নদী পাড়ে স্থাপন করা হয় দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদন কারখানা বাঘাবাড়ী মিল্কভিটা। মিল্কভিটাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে প্রায় ৪২ সহস্রাধিক গোখামার। এই দুগ্ধ অঞ্চলে প্রাণ, আকিজ, আফতাব, ব্র্যাক ফুড (আড়ং), ফ্রেস মিল্ক, নাভানা মিল্ক, আমোফ্রেস মিল্ক, কোয়ালিটি, বিক্রমপুরসহ বেশ কিছু বেসরকারি দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান দুধ সংগ্রহ করতে এ অঞ্চলে তাদের আঞ্চলিক ও শাখা দুগ্ধ সংগ্রহশালা স্থাপন করেছে। এর ফলে তরল দুধের চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকে। কিন্তু বাড়েনি দুধের উৎপাদন। সম্ভাবনাময় এই শিল্পকে কেন্দ্র করে পাবনা ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের হাজার হাজার পরিবার তাদের জীবিকার পথ হিসেবে গাভী পালন ও দুধের ব্যবসা বেছে নিয়েছেন।



